Nabodhara Real Estate Ltd.

Khan Air Travels

Bangadesh Manobadhikar Foundation

লাইফস্টাইল ডেস্ক তারিখঃ ০৮.০৪.২০২১

বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে, আমরা যে ধরনের জীবনযাপন করি, তাতে ডায়াবিটিস বা মধুমেহ রোগ হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়।

রক্তে সুগারের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ফলে শরীরে কি ধরণের সমস্যা হয় তা সম্পর্কে আমরা কমবেশি সকলেই অবগত।

বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে, আমরা যে ধরনের জীবনযাপন করি, তাতে ডায়াবিটিস বা মধুমেহ রোগ হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। এবং ভাবার বিষয় এটাই যে এর পরিমাণটা ক্রমশ বেড়েই চলেছে।

ডায়াবিটিস হল সবচেয়ে দ্রুত বেড়ে চলা রোগগুলির মধ্যে একটি। সুতরাং এই রোগ এবং রোগের লক্ষণগুলি প্রতিরোধ করতে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। আর সেই সঙ্গে এই রোগে আক্রান্ত রোগীদের রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন সুষম ডায়েটের। ডায়াবিটিস এমন একটি রোগ যা প্রায় প্রত্যেকেই মুখোমুখি। মানুষ চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ওষুধ গ্রহণ করে তবে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসার মাধ্যমে ডায়াবিটিস অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ডাব্লুএইচও এর মতে, আয়ুর্বেদ হলো ডায়াবেটিসের চিকিৎসার একটি দুর্দান্ত উপায়।

রক্তে সুগারের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ফলে শরীরে কি ধরণের সমস্যা হয় তা সম্পর্কে আমরা কমবেশি সকলেই অবগত। ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে সবচেয়ে দুর্ভাগ্যজনক বিষয়টি হল, অষুধ, শরীরচর্চা এবং খাওয়া-দাওয়া নিয়ম মেনে করলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে বটে, কিন্তু তা কোনও ভাবেই পুরোপুরি নিরাময় করা সম্ভব নয়। ডায়াবেটিস এমন একটি রোগ, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের অসুস্থতা বাড়িয়ে তোলে। চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে ওষুধ গ্রহণের পাশাপাশি আয়ুর্বেদিক চিকিৎসার মাধ্যমে ডায়াবিটিস অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

WHO- এর মতে, আয়ুর্বেদ হলো ডায়াবিটিসের চিকিৎসার একটি ভালো উপায়। ডায়াবেটিস একটি দীর্ঘস্থায়ী রোগ যা দেহের রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়লে এবং দেহের পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি বন্ধ হয়ে যায়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, এই রোগটি পরিচালনা করা কঠিন তবে অসম্ভব নয়। ডায়াবিটিসের জন্য আয়ুর্বেদিক ওষুধি জীবনযাত্রার পরিবর্তনের সঙ্গে রক্তে শর্করার মাত্রা বজায় রাখতে এবং নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে। ডায়াবিটিসে রোগে আয়ুর্বেদ কীভাবে কাজ করে জেনে নিন...

আয়ুর্বেদে ডায়াবিটিসের চিকিৎসা

 

আমলা

আমলা বা আমলকি সবচেয়ে শক্তিশালী আয়ুর্বেদিক ওষধি। এটি আয়ুর্বেদে টক্সিন দূর করতে এবং টিস্যু পুষ্ট করতে ব্যবহৃত হয়। এটি ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। ডায়াবিটিসের চিকিৎসা এবং এটি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য উপযুক্ত। এতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ক্রোমিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং আয়রন রয়েছে যা শরীরকে ইনসুলিন শোষণে সহায়তা করে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে।

ত্রিফলা

এই আয়ুর্বেদিক মিশ্রণটি একটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং এটি হজমের জন্য খুব ভালো বলে মনে করা হয়। এটি সুগার রোগীদের জন্য একটি আয়ুর্বেদিক ওষুধ। এর মধ্যে উপাদানগুলি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ হওয়া শরীরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস হ্রাস করতে সহায়তা করে।

 

দারুচিনি

ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত আরও একটি প্রাকৃতিক ভেষজ হলো দারুচিনি। এটি নিজে থেকে রক্তচাপ কমাতে এবং ডায়াবিটিসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে বলে জানা যায়। খাবারের পরে রক্তে শর্করার হ্রাস এবং আপনার ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি করে। এগুলি ছাড়াও এটি একটি কার্ডিও টনিক যা উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত রোগীদের এবং আয়ুর্বেদে ডায়াবিটিস নিরাময়ে সহায়ক।

ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণের সহজ আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা

 

১. আয়ুর্বেদ রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণে আনতে কুটকি, পুনর্ণভা, শারদুনিকার মিশ্রণ ব্যবহার করতে পারেন। এই মিশ্রণটি রাতে এক কাপ জলে তামার পাত্রে মিশিয়ে সকালে ঘুম থেকে উঠে পান করুন।

২. কেউ তাজা ফল, শাকসবজি এবং তেতো ফল খেতে পারেন।

৩. রক্তে সুগারকে স্থিতিশীল করতে সকালে খালি পেটে হালকা গরম হালকা জল পান করুন।

৪. আদা চা পান করাও চিনি নিয়ন্ত্রণের একটি প্রাকৃতিক উপায়।

৫. আজও বেশিরভাগ মানুষ ডায়াবেটিসের জন্য আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা সম্পর্কে জানতে চান। তারা জানতে চান, আয়ুর্বেদ দ্বারা ডায়াবেটিস পুরোপুরি নিরাময় করা যায় কিনা। আয়ুর্বেদে সুগার নিয়ন্ত্রণ খুব দ্রুত পাওয়া যায় না। তবে এটি অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদী ফলাফল দেয়।